ওসমান হারুনী,জামালপুর সংবাদ ডেস্ক:
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে প্রিন্সিপাল শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফরম ফিলাপ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
দেওয়ানগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের পরীক্ষার্থী জয়, রাজুসহ এলাকাবাসী মোস্তফার অভিযোগ, একাদশ ও দ্বাদশ বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষার বোর্ড ফি ১হাজার ৮৫০ টাকা হলেও দেওয়ানগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে প্রিন্সিপাল শহিদুল ইসলাম প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও অত্র কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষার্থীদের নিকট ৪হাজার থেকে ৫হাজার টাকা পর্যন্ত ফি ধার্য করেছে। ফলে বৃহস্পতিবার ২৭মার্চ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করতে পারে নি।
ফরম ফিলাপ করতে এসে বোর্ড ফি দিয়ে অনেকেই ফরম ফিলাপ করতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষসহ ফরম ফিলাপের দায়িত্বরত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণও করে থাকেন।
অতিরিক্ত ফি ও শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার ক্ষোভে স্হানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী বৃহস্পতিবার দুপুরে দফায় দফায় কলেজে ঢুকে কলেজের কম্পিউটার ল্যাব এসিস্ট্যান্ট আহসান হাবিব ও কম্পিউটার প্রভাষক ফারজানা আকতারসহ প্রিন্সিপালের উপর চড়াও হয়। দুই পক্ষেই হট্টগোল হয়। এসময় কলেজের অনিয়মের জন্য শিক্ষকরা চরম ভাবে লাঞ্চিত হয়।
এব্যপারে অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল শহিদুল ইসলাম শহিদ জানান, ফরম ফিলাপের নির্ধারিত বোর্ড ফির সাথে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ফরম ফিলাপ করতে আসা শিক্ষার্থীদের সামর্থ বিবেচনা করে সারা বছের বেতনসহ ২হাজার থেকে ৪হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।